ফিফার ৬৩৫ কোটি ডলারের উন্নয়ন তহবিল

বিশ্বজুড়ে ফুটবলের উন্নয়নে সদস্য দেশগুলোর জন্য ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের উন্নয়ন তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা। ২০২৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চার বছরের জন্য প্রস্তাবিত এই তহবিলের আওতায় ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের প্রতিটি ফুটবল ফেডারেশন সর্বোচ্চ ২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার করে পেতে পারে। ফিফার এই উদ্যোগের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী ফুটবলের উন্নয়ন কার্যক্রমে বিনিয়োগ বাড়ানো।

ফিফার প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত বাণিজ্যিক সাফল্যের সুফল কাজে লাগিয়ে ফুটবলের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা বাড়ানো হবে। এ জন্য সংস্থাটির আর্থিক সঞ্চিতির একটি অংশও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত তহবিল থেকে সদস্য দেশগুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক ফুটবল কনফেডারেশন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষও সহায়তা পাবে।

প্রতিটি সদস্য ফেডারেশনের জন্য প্রস্তাবিত ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বরাদ্দ আগের চার বছরের ১ কোটি ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এই অর্থ পরিচালন ব্যয়, নির্দিষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প, নারী ফুটবল, যুব ফুটবল এবং ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অর্থ বরাদ্দ, ব্যবহারের শর্ত এবং তদারকির বিষয়গুলো চূড়ান্ত অনুমোদন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

ফিফার ১৫ অক্টোবরের কাউন্সিল সভায় ‘ফিফা সারপ্লাস সলিডারিটি প্রোগ্রাম’ নামে এই উদ্যোগের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। ফিফার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৭-৩০ সময়কালে ফুটবলের উন্নয়নে মোট বিনিয়োগ ৬৩৫ কোটি ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত শর্ত চূড়ান্ত করে আগামী ডিসেম্বরে ফিফা কাউন্সিলের পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা কংগ্রেসের অনুমোদন সাপেক্ষে পরিকল্পনাটি কার্যকর হতে পারে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আর্থিক সাফল্য বিশ্বজুড়ে ফুটবলের বিকাশে কাজে লাগানোই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মতো সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থায়নের সুযোগ বাড়তে পারে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের ফুটবল, নারী ও যুব ফুটবলের বিকাশ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে অর্থ পাওয়া ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফিফার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

Rent for add

সর্বশেষ নিউজ

for rent